Submit your Article

    লেখা পাঠাবার ইমেইল:

parisvisionnews@yahoo.com

Bangla version

Member login

Notice Board

দৃষ্টি আকর্ষণ
 লেখা আহবান 
আপনার প্রিয় প্যারিস ভিশন নিউজ ডটকমের জন্য লেখা পাঠাবার আহবান খবর,গল্প,প্রবন্ধ,কবিতা,ভ্রমন কাহিনী ইত্যাদি আজ ই পাঠিয়ে দিন
Email:parisvisionnews@yahoo.com

 

বাংলাদেশ সংবাদ

সাঈদীর রায় নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Saturday, 19 April 2014 10:29

সাঈদীর রায় নিয়ে উদ্বিগ্ন জামায়াত

 

 

সরকারের সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতা!

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Friday, 18 April 2014 22:37

সরকারের সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতা!

নতুন বার্তা
রাজনৈতিক মহলে আবারো গুঞ্জন উঠেছে, সরকারের সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতার চেষ্টা চলছে। দলটির নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিল বিভাগের রায়কে ঘিরেই এমন গুঞ্জন উঠেছে। মিডিয়ার সঙ্গে জামায়াত নেতারা যোগাযোগ না রাখায় এ গুজব-গুঞ্জনের নানা ডালপালা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। জোটের প্রধান শরিক বিএনপিও অনেকটা অস্বস্তি বোধ করছে এই গুঞ্জনে। সরকারও এ বিষয়ে কোনো কথা বলছে না।
গনজাগরণ মঞ্চকে থামিয়ে দেয়ার পেছনে হেফাজত ও জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। বিশেষ করে হেফাজতের সঙ্গে সমঝোতার পরেই গণজাগরণ মঞ্চ থেকে ইমরান এইচ সরকারকে সরিয়ে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে সংবাদপত্রে অসংখ্য প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। সূত্র জানাচ্ছে, মাওলানা সাঈদীর বিষয়টি নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চ যাতে ‘বাড়াবাড়ি’ না করতে পারে সে কারণেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। আর এতে করে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার পথটি সুগম হতে পারে বলে সরকার পক্ষের ধারণা। 
তবে সম্ভাব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ঘিরে নীরবে কিছু একটা হচ্ছে বা চেষ্টা চলছে এমন ধারণা অনেকের। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অতিগোপনে অভিযুক্ত জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে একটি সূত্র। আর এতে তারা বিদেশিদের সহায়তা নিচ্ছে। জামায়াতকে ‘ম্যানেজ’ করতে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। আর জামায়াতের পক্ষে কাজ করছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। তিনি এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না বলে জানা গেছে। কারণ, রাজ্জাক বাইরে যাওয়ার পরদিন ১৮ ডিসেম্বর কলাবাগান থানায় তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জামায়াতের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সরকারের চোখ ফাঁকি দিয়ে কেমন করে দেশের বাইরে গেলেন এমন প্রশ্ন সবার। একটি সূত্র জানিয়েছেন, ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে বাইরে যেতে সহযোগিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী ও একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূত। ওই রাষ্ট্রদূতের গাড়িতে করেই তিনজন এয়ারপোর্টে যান। 
রাজনৈতিক অঙ্গনে চাউর রয়েছে, ’৮৬-এর নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে কিনা। ওই নির্বাচনে বিএনপি যায়নি, কিন্তু জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনে গিয়ে এরশাদকে বৈধতা দিয়েছিল। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর জামায়াত বিএনপি’র সঙ্গে দু’টি মহিলা এমপি ‘পুরস্কার’ নিয়ে অবস্থান নিলেও অল্প দিনের মধ্যে তারা রাস্তায় আবার আওয়ামী লীগের সঙ্গী হয়। তারাই কেয়ারটেকারের ফর্মুলা দিয়ে সেটি আওয়ামী লীগের মাধ্যমে জোর করে বাস্তবায়ন করে।
আওয়ামী লীগ-জামায়াত সমঝোতা নিয়ে সর্বমহলে তোলপাড় চলছে। তবে জামায়াতের তরুণ প্রজন্ম বিষয়টিকে মোটেই ভালোভাবে দেখছে না। তারা বলছেন, যে আওয়ামী লীগের কারণে দলের শীর্ষ নেতারা মিথ্যা অভিযোগে কারারুদ্ধ, একজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে, হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পুলিশ দিয়ে হত্যা, গুম, পঙ্গু করেছে, তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা নয়। তাদের রাজনৈতিক শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। তবে বিএনপির আশঙ্কা, যদি আওয়ামী লীগ- জামায়াত সমঝোতা হয়, তা হবে মূলত বিএনপিকে বাইরে রেখে আরেকটি বিতর্কিত নির্বাচন করার নীলনকশার সমঝোতা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র এক নেতা বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের আঁঁতাত বা সমঝোতা নতুন কিছু নয়। ক্ষমতার লোভে আওয়ামী লীগ পারে না এমন কোনো কাজ নেই। ঠিক একইভাবে নিজেদের প্রয়োজনে জামায়াতের পক্ষে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। তাদের অতীত বিশ্লেষণ করে সতর্কতার সঙ্গে সামনের দিকে এগুচ্ছে বিএনপি। কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে, জামায়াত আপাতত সরকারবিরোধী আন্দোলনের কথা ভাবছে না। বিশেষ করে উপজেলা নির্বাচনে অভাবনীয় বিজয়ের পর জামায়াত নতুন করে দল সাজানোর কথা ভাবছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির চেয়ে এগিয়ে থাকার বিষয়টিকে জামায়াত নিজেদের শক্ত অবস্থান বলে ভাবছে। জামায়াত মনে করছে, বিএনপি দিয়ে আন্দোলন হবে না। তাই আগ বাড়িয়ে নিজেদের শক্তি ক্ষয়ের কোনো মানে হয় না।
এ বিষয়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি
 

রাজনীতিতে যেভাবে অভিষিক্ত হলেন তাহসিনা লুনা

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Friday, 18 April 2014 10:00

রাজনীতিতে যেভাবে অভিষিক্ত হলেন তাহসিনা লুনা

ওয়েছ খছরু, সিলেট থেকে | ১৮ এপ্রিল ২০১৪, 

প্রিয় স্বামী ইলিয়াস আলীর জন্যই রাজনীতিতে অভিষিক্ত হলেন স্ত্রী তাহসিনা রুশদী লুনা। এভাবে রাজনীতিতে জড়াবেন এমনটি তার ধারণায় ছিল না। চাকরি  করছেন, সংসার সামলাচ্ছেন সেটিই ছিল তার কাছে প্রিয় জায়গা। কিন্তু স্বামীর সাজানো রাজনৈতিক ময়দানে তাকেই ধরতে হচ্ছে হাল। আর এ কারণে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশেই রাজনীতির ময়দানে পথচলা শুরু করলেন তিনি। গেলো উপজেলা নির্বাচনে রাজনীতির প্রথম পরীক্ষায় তিনি সফল হয়েছেন। ইলিয়াসের নির্বাচনী আসনে সিদ্ধান্ত  নিয়েই উপজেলা নির্বাচনে জয় ঘরে তুললেন লুনা। আর এই জয়ের মধ্য দিয়ে তার জয়ধ্বনি উড়তে শুরু করেছে সিলেটের রাজনৈতিক আকাশে। শেষমেশ স্বামী ইলিয়াসের রাজনৈতিক মাঠে মঙ্গলবার রাতে অভিষিক্ত হলেন লুনা। এ দিন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সিলেট জেলা বিএনপির সকল অংশের নেতাদের নিয়ে তার গুলশান কার্যালয়ে বৈঠক করেন। আর বৈঠকে ভেঙে দেয়া হয়েছে ইলিয়াস  আলী গঠিত সিলেট জেলা বিএনপির কমিটি। নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদিও আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে কিছুটা মান-অভিমান রয়েই গেছে। কিন্তু এই কমিটি গঠনের চেয়ে সিলেটে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে ইলিয়াসপত্নী তাহসিনা রুশদী লুনার রাজনৈতিক অভিষেক। ইলিয়াস গুমের দুই বছর চলে গেল গতকাল। এখনও মিলেনি খোঁজ। সিলেট বিএনপির এই নেতার গুমের ঘটনার পর সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে লুনা। একদিকে সন্তান, সংসার। অন্যদিকে চাকরি। এর বাইরে তাকে নেতাকর্মীদের চাপ সামলাতে হয়েছে বেশি। ইলিয়াসের অবর্তমানে তার সব কাজ নিজ কাঁধে তুলে নিলেন লুনা। স্বামীর জন্য নীরবে ফেলেছেন চোখের জল। একই সঙ্গে স্বামীর বিশাল রাজনৈতিক রাজত্ব সামলাতে তাকে বারবার ছুটে আসতে হয়েছে সিলেটে। ইলিয়াসের নিজ গ্রাম বিশ্বনাথের রামধানায় বসে যতটুকু সম্ভব স্বামী ইলিয়াসের জন্য দলীয় কর্মকা- চালিয়েছেন। পাশাপাশি ইলিয়াসের সন্ধানে ছুটে গেছেন দুয়ারে-দুয়ারে। লুনা যতবারই ঢাকা থেকে সিলেটে এসেছেন ততবারই দলীয় কর্মকা- নিয়ে বেশি ব্যস্ত থেকেছেন। ইলিয়াসের গুমের পর আন্দোলনে যারা নিহত, আহত ও কারাবরণ করেছেন তাদের পাশে ছুটে গেছেন তিনি। করেছেন আর্থিক সহায়তা। সাহস যুগিয়েছেন তাদের। এখানেই শেষ নয় বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জের বিএনপির রাজনীতিতে ইলিয়াসের ছায়া হয়ে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন। দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রক্রিয়া চালিয়েছেন সফলতার সঙ্গে। লুনা সিলেট জেলার সব ক’টি থানা ও উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। ইলিয়াসের অনুপস্থিতি যতটুকু সম্ভব সামলানোর চেষ্টা করেছেন। এই অবস্থায় এলো উপজেলা নির্বাচন। বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জ যেহেতু ইলিয়াসের নির্বাচনী আসন সে কারণে ওই এলাকায় জেলা বিএনপির নেতারা মাথা ঘামাননি। তারাও ইলিয়াসপত্নী লুনার ওপর ভরসা রাখেন। লুনাও স্বামীর হয়ে এই চ্যালেঞ্জ নেন। ইলিয়াসের জন্মভূমি রামধানা গ্রামে বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জের বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন। তিনি নিজেই বিশ্বনাথে সোহেল আহমদ চৌধুরীকে ও বালাগঞ্জে আবদাল মিয়াকে চেয়ারম্যান পদে সমর্থন দেন। তার সমর্থনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে সিলেটের বিএনপি। ইলিয়াসপত্নীর মর্যাদা রাখতে বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জ বিএনপির সকল স্তরের নেতারা মাঠে নামেন। নির্বাচনী প্রচারণায় নামেন লুনাও। শেষমেশ দু’টি উপজেলায়ই আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থীদের পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে নেন ইলিয়াসপত্নী লুনার প্রার্থীরা। এ নির্বাচনে ইলিয়াসই ছিলেন বড় ফ্যাক্টর। ইলিয়াস গুমের জবাব হিসেবে বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জের মানুষ বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করেছেন। আর নিজের সমর্থিত প্রার্থীদের দিয়ে স্বামীর আসনে জয় ঘরে তুলে সিলেটের রাজনীতিতে চমক সৃষ্টি করেন লুনা। মঙ্গলবার ঢাকায় গুলশান কার্যালয়ে সিলেট জেলা বিএনপির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ওই বৈঠকে ডাক পড়ে লুনারও। স্বামীর জন্য সেখানেই যান তিনি। ওই দিন বেগম খালেদা জিয়ার সামনেই বক্তব্য রাখেন লুনা। নিজের স্বামীর জন্য দোয়া চান তিনি। একই সঙ্গে সিলেটের বিএনপিকে শক্তিশালী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ জানান। লুনা বলেন, ইলিয়াস আলী একজন পরিপূর্ণ  রাজনীতিবিদ। তিনি পরিবারের চেয়ে রাজনীতিকে বেশি প্রাধান্য দিতেন। নেতাকর্মীদের সুখে দুঃখে দিনের পর দিন পড়ে থাকতেন সিলেটে। ইলিয়াস অনেক চেষ্টা করে সিলেটে বিএনপির ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন। এই ঐক্যবদ্ধতা ধরে রাখতে তিনি সকলকে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসনের নির্দেশমতো সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার আহ্বান জানান তিনি। লুনার বক্তব্যের আগে বিএনপির বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা সিলেট বিএনপির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চেয়ারপারসনকে অবগত করেন। আর এ সময় তারা ইলিয়াসের অবর্তমানে সিলেটের সাংগঠনিক দায়িত্ব লুনার হাতে তুলে দেয়ার দাবি জানান। ইলিয়াস আলীর একান্ত সহকারী ও জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মো. ময়নুল হক জানান, বৈঠকে ৩-৪ জন নেতা ছাড়া যারাই ভাষণ দিয়েছেন প্রত্যেকেই ইলিয়াস আলীর স্ত্রীর হাতে রাজনীতির দায়িত্ব তুলে দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। দলের নেতাদের বক্তব্য শোনার পর ওই দিন রাতেই বিএনপি চেয়াপারসনের নির্দেশে দলের যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমদ চেয়ারপারসনের নির্দেশক্রমে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। ঘোষিত কমিটিতে ইলিয়াস আলীর পত্নীকে প্রথম সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। আর সিলেট বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য হয়ে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হয়েছেন লুনা। নিজেই তিনি নেতাকর্মীদের জানিয়েছেন, স্বামীর জন্য রাজনীতিতে নামছেন তিনি। সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে ইলিয়াস আলীকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব বলে আত্মবিশ্বাসীও তিনি। এজন্য সরকার বিরোধী আন্দোলনের তাগিদ তার। 
যুগ্ম মহাসচিব হচ্ছেন ইলিয়াস আলী: বিএনপির সর্বশেষ কাউন্সিলে সরব উপস্থিতি ছিল ইলিয়াস আলীর। সিলেট বিভাগের বিএনপিকে সাজানোর পর ইলিয়াস আলী সবাইকে নিয়ে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের শরিক হন। ওই সময় ইলিয়াস আলীকে যুগ্ম মহাসচিব করার দাবি জানিয়েছিলেন দলের সিনিয়র নেতারা। তবে, সিলেট বিভাগে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে তার হাতেই দেয়া হয় বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্ব। আর সাংগঠনিক সম্পাদক হয়ে বিভাগের রাজনীতিতে চমক দেখান ইলিয়াস। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ার পর ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল ঢাকা থেকে গুম করা হয় তাকে। সাংগঠনিক সম্পাদকের পাশাপাশি ইলিয়াস সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় সিলেট জেলা বিএনপির আগের কমিটি ভেঙে দেয়া হয়। তবে, কেন্দ্রীয় নেতারা আকার ইঙ্গিতে সিলেটের নেতাদের জানিয়ে দিয়েছেন ইলিয়াস আলীকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব করা হচ্ছে। গতকাল সিলেট বিএনপির কয়েকজন নেতাও জানিয়েছেন, অনানুষ্ঠানিক ভাবে তারা জেনেছেন ইলিয়াস আলী যুগ্ম মহাসচিব হচ্ছেন।
আশা আশাই রয়ে গেল
নিখোঁজ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীকে সন্ধানের প্রধানমন্ত্রী যে আশ্বাস দিয়েছিলেন সে আশ্বাস আশ্বাসই রয়ে গেল বলে মন্তব্য করেছেন তার স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা। গতকাল ইলিয়াস আলী নিখোঁজের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে বিএনপি নেতারা বনানীর বাসায় গেলে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন। লুনা বলেন, ইলিয়াস নিখোঁজ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পরিবার নিয়ে বড় আশা করে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী সন্ধানের আশ্বাসও দিয়েছিলেন। আশা করেছিলাম, স্বামীকে ফিরে পাবো। কিন্তু দুই বছর চলে গেল। এখনও স্বামীর সন্ধান পেলাম না। আশা আশাই রয়ে গেল। তিনি বলেন, আমি আশাবাদী, আমার স্বামী আমার কাছে আবার ফিরে আসবে। এজন্য আমি এখন আল্লাহ ওপর ভরসা করে আছি। দুপুর ২টায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্ব বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল ইলিয়াস আলীর বনানীর বাসায় যান। এসময় তারা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন। বিএনপি নেতাদের মধ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস  চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ-দপ্তর  সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি উপস্থিত ছিলেন। তবে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোন কথা বলেননি .(source:mzamin)

 
 

‘ইলিয়াস আলী জীবিত, প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনিও ফিরবেন’

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Friday, 18 April 2014 09:54

‘ইলিয়াস আলী জীবিত, প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনিও ফিরবেন’

 

বিকেলে গণজাগরণ মঞ্চের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Friday, 18 April 2014 09:49

বিকেলে গণজাগরণ মঞ্চের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

 
 

Page 1 of 465

Historic words of 2011

Facebook like Icon