Submit your Article

    লেখা পাঠাবার ইমেইল:

parisvisionnews@yahoo.com

Bangla version

Member login

Notice Board

দৃষ্টি আকর্ষণ
 লেখা আহবান 
আপনার প্রিয় প্যারিস ভিশন নিউজ ডটকমের জন্য লেখা পাঠাবার আহবান খবর,গল্প,প্রবন্ধ,কবিতা,ভ্রমন কাহিনী ইত্যাদি আজ ই পাঠিয়ে দিন
Email:parisvisionnews@yahoo.com

 

বাংলাদেশ সংবাদ

‘ভয়-ভীতি ও চাপ' নিয়ে সংবাদপত্র মালিক সংগঠনের উদ্বেগ

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Wednesday, 28 January 2015 00:03

‘ভয়-ভীতি ও চাপ' নিয়ে সংবাদপত্র মালিক সংগঠনের উদ্বেগ

 [ অনলাইন ডেস্ক ]

 

একুশে টেলিভিশন-এর (ইটিভি) চেয়ারম্যান আবদুস সালামকে আরো একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে৷ এর ফলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন৷
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের এই মামলায় পুলিশ মঙ্গলবার আদালতে তার রিমান্ডের আবেদন জানালেও আদালত তাকে রিমান্ডে না দিয়ে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে৷ অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনিক ও আইনগত দিক থেকে ‘প্রচার মাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিভিন্ন ঘটনায়' উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)৷
ইটিভির চেয়ারম্যান আবদুস সালাম এখন কারাগারে আছেন৷ গত ৫ই জানুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ইটিভির নিচ থেকে আটক করে পুলিশ৷ পরদিন তাকে গত বছরের নভেম্বরে ক্যান্টনমেন্ট থানায় পর্নোগ্রাফি আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন জানান হলে আদালত রিমান্ড না দিয়ে পাঁচ দিন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন৷
এরপর বিএনপি-র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও আবদুস সালামের বিরুদ্ধে ৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয় ঢাকার তেজগাঁ থানায়৷ এই মামলায় সালামকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত৷ তবে এখনো এই মামলায় তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি৷ ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে লন্ডন থেকে তারেক রহমানের বক্তব্য ইটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি করা হয়৷

মঙ্গলবার আবদুস সালামকে ক্যান্টনমেন্ট থানার আরেকটি মামলায় গ্রেফতার দেখান হয়েছে৷ তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানান হয়৷ সালামের পক্ষে জামিনের আবেদনও করা হয়৷ ঢাকা মহানগর হাকিম সাবরিনা আলী দু'টি আবেদনই নামঞ্জুর করে সালামকে জেল গেটে পাঁচদিন জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন৷
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই সাখাওয়াৎ হোসেন ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘২০১৪ সালের ১০ই নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলাটি দায়ের করেন কানিজ ফাতেমা নামে এক নারী৷ আর এই মামলায় একুশে টেলিভিশনের অপরাধ বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘একুশের চোখ'সহ নারীর সাবেক স্বামী শাহজালাল এজাহারভুক্ত আসামি৷''
তিনি জানান, ‘‘গত বছরের ৬ নভেম্বর প্রচারিত ‘একুশের চোখ' অনুষ্ঠান নিয়ে তখন মোট ৩টি মামলা হয় ৷ তার মধ্যে পর্নোগ্রাফি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও তথ্য প্রযুক্তি আইনের দু'টি মামলায় আবদুস সালামকে গ্রেফতার দেখানো হল৷ তিনি অবশ্য স্বীকার করেন, এর কোন মামলায়ই আবদুস সালাম এজাহারভুক্ত আসামি নন৷ তবে ইটিভির উপস্থাপক ইলিয়াস হোসোইন এজাহারভুক্ত আসামি৷ এসআই সাখাওয়াৎ হোসেন দাবি করেন, ‘‘উপস্থাপক ইলিয়াস হোসাইন পলাতক আছেন৷ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে৷ তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলে ওই দু'টি মামলার অভিযোগে কার কতটুকু সংশ্লিষ্টতা আছে তা জানা যাবে৷'' তিনি আরও বলেন, ‘‘এই দু'টি মামলাই জামিন অযোগ্য ধারার৷''
এদিকে আবদুস সালামের আইনজীবী ইউনূস আলী বলেন, ‘‘ইটিভির চেয়ারম্যান আবদুস সালামকে হয়রানির উদ্দেশ্যে ক্যান্টনমেন্ট থানার দু'টি মামলায় গ্রেফতার দেখান হয়েছে৷ মামলার এজাহার বা বর্ণনায় কোথাও তার নাম নেই৷ আর তিনি অভিযোগের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নন৷'' তবে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি তদন্তের পরই বোঝা যাবে সালাম কোন অপরাধ করেছেন কি না বলে মন্তব্য করেন আইনজীবী ইউনূস আলী৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা আইনি লড়াই চালিয়ে যাব৷''
গত ৫ জানুয়ারি রাত থেকে একুশে টেলিভিশনের সম্প্রচারে যে বিঘ্ন ঘটে, তা এখনো অব্যাহত আছে৷ ঢাকাসহ দেশের অনেক এলাকার দর্শকই একুশে টেলিভিশন দেখতে পাচ্ছেন না৷
এদিকে বাংলাদেশের সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এক বিবৃতিতে সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনিক ও আইনগত দিক থেকে ‘প্রচার মাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের' বিভিন্ন ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷ রবিবার সংগঠনের এক সভায় এ উদ্বেগ জানানো হয়৷ এর পাশাপাশি সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অন্যান্য প্রচারমাধ্যমকে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ ও অনুষ্ঠান সম্প্রচারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানানো হয়৷
নোয়াবের পাঠান বিজ্ঞপ্তিকে জানান হয়েছে যে সভায় বলা হয়, গত ২৮ ডিসেম্বর ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ-এর কার্যালয়ে পুলিশ তল্লাশির অপচেষ্টা করে৷ আপত্তির মুখে কার্যালয়ে ঢুকতে না পেরে তারা সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় এবং পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে সমবেত সাংবাদিকদের ভিডিওচিত্র ধারণ করে৷ নোয়াবের সদস্যরা মনে করেন, এ ধরনের ঘটনা সংবাদপত্রের স্বাধীন চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার অন্তরায়৷
নোয়াবের সদস্যরা বলেন, টিভি চ্যানেলের টক শো, সরাসরি সম্প্রচারে বাধা ও নানা বিধিনিষেধ আরোপের মধ্য দিয়ে এক ধরনের চাপ তৈরি করা হচ্ছে৷ একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) চেয়ারম্যান আবদুস সালামকে ৬ই জানুয়ারি ভোররাতে (৫ই জানুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা) গ্রেফতার করা হয়েছে৷ একুশে টেলিভিশনের সম্প্রচার এখনো অনেক এলাকায় বন্ধ রয়েছে৷ সভায় ইটিভির চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করায় এবং অনেক এলাকায় এর সম্প্রচার বন্ধ থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়৷ সভায় নোয়াবের সদস্যরা সংবাদপত্র শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন৷
দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন৷ এ কে আজাদ, তাসমিমা হোসেন, মতিউর রহমান চৌধুরী, এ এস এম শহীদুল্লাহ খান, মাহ্ফুজ আনাম, রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, সাঈদ হোসেন চৌধুরী, আলতামাশ কবির, এম শামসুর রহমান ও কাজী আনিস আহমেদ৷- ডিডব্লিউ

 

রবি ও সোমবার ফের হরতাল?

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Tuesday, 27 January 2015 23:50

রবি ও সোমবার ফের হরতাল?

 

যতদূর চোখ যায় শুধু মানুষ আর মানুষ

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Tuesday, 27 January 2015 23:44

যতদূর চোখ যায় শুধু মানুষ আর মানুষ

( অনলাইন ডেস্ক ]


যতদূর চোখ যায় শুধু মানুষ আর মানুষ। আরাফাত রহমান কোকোর জানাজা ঘিরে পল্টন ও গুলিস্তান এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হলেও কোকোর জানাজার বিস্তৃতি ছিল বহু দূর পর্যন্ত। আকস্মিকভাবে অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র কোকোর জানাজায় অংশ নিতে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়াম, মহানগর নাট্যমঞ্চ, গোলাপশাহ মাজার থেকে জিপিও মোড় পর্যন্ত সড়কে মানুষ অবস্থান নেয়। অন্যদিকে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে পল্টন মোড়, দৈনিক বাংলা মোড়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং মতিঝিল এলাকায়ও লাখো মানুষ সমবেত হয়। ঢাকা ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর থেকে অসংখ্য মানুষ জানাজায় অংশ নেন বলে জানা গেছে। কেউ এসেছিলেন চিরাচরিত জানাযার নামাজের পোশাক পরে। অনেক লোক আবার লুঙ্গি পরেও শরীক হন জানাযায়। অনেকেকই এ সময় অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। কোকো যেমন ছিলেন রাজনীতির বাইরের মানুষ, তেমনি তার জানাযাতে শরীক হন সব শ্রেণি পেশার মানুষ। মঙ্গলবার মাগরিবের কিছুক্ষণ আগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। এর আগে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট দিয়ে প্রবেশ করে কোকোর মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রায় সবাই বায়তুল মোকাররমে কোকোর জানাজায় অংশ নেন। এ ছাড়া শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ জানাজায় অংশ নেন। বায়তুল মোকাররম এলাকায় পুলিশের নির্দেশে সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। জানাজার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই কোকোর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্স রওনা হয় বনানী কবরস্থানের উদ্দেশে। জানাজাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট, দক্ষিণ গেট, স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকা ও জুয়েলার্স মার্কেট এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ-র্যা ব। এসব এলাকায় প্রিজন ভ্যান থেকে শুরু করে রায়টকার, এপিসি ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মালয়েশিয়ায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দম্পতির কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো। মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে কোকোর মরদেহ। পরিবারের পক্ষ থেকে কোকোর মরদেহ বুঝে নেন কোকোর চাচাতো ভাই মাহবুব আল আমিন ডিউ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খালেদা জিয়া মনোনীত বিএনপির পাঁচ নেতা স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লাহ আল নোমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। বিমানবন্দরে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক এমএ মান্নান, মীর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। বেলা সোয়া ১২টার দিকে তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স বিমানবন্দর থেকে গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওয়ানা হয়। দুপুর দেড়টার দিকে কোকোর মরদেহ গুলশানে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে পৌঁছায়। কার্যালয়ের নিচতলার কনফারেন্স রুমে তার মরদেহ রাখা হয়। এ সময় মা খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

 
 

‘ঢেকে দিও না, বাবার মুখটা আর একটু দেখি....’

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Tuesday, 27 January 2015 19:31

 ‘ঢেকে দিও না, বাবার মুখটা আর একটু দেখি....’

 

 

 

শোকেও চলবে আন্দোলন

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Tuesday, 27 January 2015 00:04

শোকেও চলবে আন্দোলন

 
 

Page 1 of 540

Historic words of 2011

Facebook like Icon