Submit your Article

    লেখা পাঠাবার ইমেইল:

parisvisionnews@yahoo.com

Bangla version

Member login

Notice Board

দৃষ্টি আকর্ষণ
 লেখা আহবান 
আপনার প্রিয় প্যারিস ভিশন নিউজ ডটকমের জন্য লেখা পাঠাবার আহবান খবর,গল্প,প্রবন্ধ,কবিতা,ভ্রমন কাহিনী ইত্যাদি আজ ই পাঠিয়ে দিন
Email:parisvisionnews@yahoo.com

 

বাংলাদেশ সংবাদ

জামায়াত নিষিদ্ধে ধীরে চলো নীতি

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Saturday, 27 June 2015 14:24

জামায়াত নিষিদ্ধে ধীরে চলো নীতি

 

আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় বিজিপি: রাজ্জাক

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Saturday, 27 June 2015 14:02

 

আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় বিজিপি: রাজ্জাক


কক্সবাজার: পতাকা বৈঠকের মধ্যদিয়ে দীর্ঘ আট দিন পর অবশেষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির অপহৃত নায়েক আবদুর রাজ্জাককে ফেরত দিয়েছে মিয়ানমার।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে নায়েক আবদুর রাজ্জাককে নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের জেটি দিয়ে ফিরে আসেন বিজিবির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল।

বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনিসুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, মিয়ানমারের মংডুতে পতাকা বৈঠকের মধ্যদিয়ে ১৭ জুন নাফ নদীতে টহলরত অবস্থায় অপহৃত রাজ্জাককে তার ব্যক্তিগত অস্ত্র (এসএমজি), ম্যাগজিন এবং গোলাবারুদসহ ফেরত ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

দেশের মাটিতে পা রেখে নায়েক আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সুস্থ আছি। দেশের মাটিতে ফিরে আসতে পেরে আমি আনন্দিত।’তিনি বলেন, ‘সীমান্তে পাহারা দিতে গিয়ে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ-বিজিপি আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সেখানে তারা আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়।’

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকা বিজিবির ৪২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আবুজার আল জাহিদ জানান, পতাকা বৈঠকে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার যাতে পুনারাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নায়েক রাজ্জাককে নির্যাতনের প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জুন টেকনাফের ঢেকুবনিয়া সীমান্তে বিজিবির একটি টহল দল মাদক পাচারকারীদের পিছু ধাওয়া করেন। এক পর্যায়ে পাচারকারীরা বিজিবি সদস্যদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।ওই সময় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বিজিপি সদস্যরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। সে সময় এক বিজিবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হন এবং নায়েক আবদুর রাজ্জাক নাফ নদীতে পড়ে যান। সেখান থেকেই বিজিপি সদস্যরা তাকে অপহরণ করে মিয়ানমারে নিয়ে যায়।

সূত্র মতে, ওই সময় বিজিবির সদস্য বিপ্লব কুমার গুলিবিদ্ধ হন। তিনি এখনো চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গোলাগুলির সময় বিজিবির নায়েক আবদুর রাজ্জাক নাফ নদীতে পড়ে গেলে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী পুলিশের সদস্যরা বাংলাদেশের পানিসীমায় অনুপ্রবেশ করে তাকে ধরে নিয়ে যায়।

এরপর থেকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য পতাকা বৈঠকের আহবান জানানো হয়। কিন্তু সাড়া দেয়নি মিয়ানমার। উল্টো মিয়ানমার পুলিশের হেফাজতে নায়েক আবদুর রাজ্জাককে হাতকড়া পরিয়ে রাখার ছবি প্রকাশ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সংসদেও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।পরে রাজ্জাককে ফিরে পেতে মালয়েশিয়াগামী ৫৫৫ জন রোহিঙ্গা অভিবাসীকে ফেরত আনার শর্তও দেয় মিয়ানমার। যদিও অবশেষে বৃহস্পতিবার কোনো শর্ত ছাড়াই তাকে ফিরিয়ে দেয় মিয়ানমার।

 

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Saturday, 27 June 2015 13:59

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা 














মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যুগ্ম-কর কমিশনার ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলমের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণ ও চাকরি জীবনে সুবিধা লাভের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ চিঠি পাঠান উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন। চিঠিতে জরুরি ভিত্তিতে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানায়, যুগ্ম-কর কমিশনার (কর আপিল অঞ্চল-৪, ঢাকা) ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলম বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণের অভিযোগ আসে।

অভিযোগে বলা আছে, তিনি জালিয়তির মাধ্যমে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ সংগ্রহ করে তা দিয়ে চাকরি জীবনে সুবিধা ভোগ করছেন। মুজিবনগর সরকারের একজন কর্মচারী হিসেবে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম প্রথমে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের কর বিভাগে অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ১৯৯১ সালের ২ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা কোটা কাজে লাগিয়ে সরাসরি সহকারী কর-কমিশনার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। পরে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণের অভিযোগ এলে তা আমলে নিয়ে ২০০২ সালের ১ জুলাই কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর অনুসন্ধানের জন্য চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সেই অনুসন্ধান আর হয়নি।

এসএম জাহাঙ্গীর আলমের এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৫৫ সালের ১০ জুলাই। মুজিবনগর সরকারের সময় তার বয়স ছিল ১৬ বছরেরও কম। সে সময়েও চাকরিতে যোগদানের সর্বনিম্ন বয়স ছিল ১৮ বছর। সেই হিসাবে ওই বয়সে মুজিবনগর সরকারের আমলে তার চাকরি হওয়ার প্রশ্নই আসে না। এছাড়া মুজিবনগর সরকারের যে ৫০৯ জনের কর্মচারী তালিকা আছে সেখানেও তার নাম নেই বলে দুদকে আসা অভিযোগে বলা আছে।

দুদক সূত্র আরো জানায়, যুগ্ম-কর কমিশনার ড. এসএম জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এজন্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিনকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়। তাই অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রর জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণাগুলোতে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে জরুরি ভিত্তিতে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।

দুদকে আসা ওই অভিযোগে আরো বলা আছে, নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা বানানোর সুবাধে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন জাহাঙ্গীর আলম। এর মধ্যে প্রথমে তিনি মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রের সাধারণ সম্পাদক হন। পরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভাইস চেয়ারম্যান, বর্তমানে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রের সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় ৪৭ লাখ ৬৮ হাজার ১৬৮ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পায় তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো। পরে এ অভিযোগে ২০০২ সালের ২০ আগস্ট দুর্নীতি দমন ব্যুরো বাদী হয়ে একটি মামলাও দায়ের করে। ২০০৩ সালে হাইকোর্ট ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে। বর্তমানে এ মামলার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

http://tazakhobor.org/bangla/crime/50250-2015-06-25-10-32-38?q=12
 
 

ইতিহাসের কাঠগড়ায় বর্তমান ছাত্রদল : সরকারের লালিত বেইমানদের হাতে আন্দোলনের চাবিকাঠি

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Saturday, 27 June 2015 12:11

ইতিহাসের কাঠগড়ায় বর্তমান ছাত্রদল : সরকারের লালিত বেইমানদের হাতে আন্দোলনের চাবিকাঠি

সানাউল হক নিরু :ত্যাজদীপ্ত অগ্নি স্ফুলিঙ্গের ন্যায় বিচ্ছুরিত আলোকছটায় উদ্ভাসিত, তারুণ্যর অহংকার, দেশ ও দলের নির্ভরতার প্রতীক, গনতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি বিশ্বস্ত ছাত্রদল যেনো এক মৃত ঘোড়া, বিশেষকরে ম্যাজিক পলিটিক্সের ফাঁদে সুবিধাভোগী, উচ্ছিষ্ট, নীতিহীনদের কাছে আজকে এই ছাত্র সংগঠনটির অস্তিত্ব অনেকটাই বিলীন হওয়ার পথে।

বীরভোগ্যা ছাত্রদলের বর্ণাঢ্য রাজনীতি ও রথী মহারথীদের কাসুন্দি নিয়ে কিছু কথা,যেন ইতিহাসের পাতা থেকে বিসৃত না হয়, হারিয়ে না যায় সত্যের ঝান্ডা ; এতে এই সংগঠনটির নান্দনিকতা, বিন্দু থেকে সিন্ধু হওয়ার পিছনে যাদের ইমানী শক্তি, দেশপ্রেম, সততা, সাহস,ত্যাগ এবং গৌরবান্বিত ইতিহাসের ধারায় শহীদ রাষ্ট্রপতি, বীরমুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষকের এই দলের কিছু নির্ভিক সাহসী যোদ্ধা তাদের জীবন বাঁজি রেখে একদিন পতিত স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় বছরের সূদীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জেল,জুলুম, হুলিয়া, এক রক্তস্নাত আন্দোলন, সংগ্রামের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ ও বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়ে কাংখিত গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ১৯৯১ এর তিন জোটের রুপরেখায় কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে (ফেয়ার/ন্যায্য) নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নিরংকুশ বিজয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একক নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন ও গনতন্ত্রের মানসকন্যা হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেন।

ব্রাদার parvez Mustafa, সালাম। .. well said. ভাইয়া, নীরু বাবলুদের একান্ত স্নেহভাজন ও ছোটভাই নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টু। নীরু বাবলু যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ও সারা বাংলাদেশে নেতৃত্ব দেয়, তখনকার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবুল কাশেম চৌধুরী ও সেক্রেটারি জালাল আহমেদ কমিটিতে বাবলু ভাই কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, আমি আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং গোলাম ফারুক অভি সেই কমিটির সহ- আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলো। কিন্তু সেই কমিটিতে বর্তমান বিএনপির মুখপত্র আসাদুজ্জামান রিপনের মতো নেতারাও সদস্য হতে পারেননি; এমনকি রিজভী আহমেদ, খাইরুল কবির খোকন, নাজিমুদ্দিন আলম, ইলিয়াস, পিন্টু, রতন, মালেক এবং অনেক জাদরেল ডাকসাইটে নেতারাও সেই কমিটিতে সদস্য হতে পারেনি। আজকে অনেকে যারা বিএনপির নীতি নির্ধারনী পর্যায়ের নেতা তখনো রাজনীতিতে তাদের জন্মই হয়নি, নাম উল্লেখ করতে চাইনা, অনেকেরই আত্মসম্মানে লাগতে পারে। পরবর্তীতে ৮৬-র সম্মেলনে জালাল আহমেদ প্রেসিডেন্ট, বাবলু ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও আমি সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই, তখনো এদের অনেকেই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে একটি সদস্য হওয়ার জন্য নীরু- বাবলুর দ্বারস্থ হয়েছে এবং সেই কমিটিতে খাইরুর কবির খোকন অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে একটি সদস্য হতে পেরেছে এবং নাজিমুদ্দিন আলমরা সেই কমিটিতে সদস্য হওয়ার মতো তখনো যোগ্য নেতা হয়ে উঠেনি। সে সময়ে পিন্টু একটি বাইসাইকেল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলে যেতো নীরু বাবলুর একান্ত স্নেহধন্য হিসেবে এবং একই কারণে সে রাজনীতিতে দ্রুত লিফট পায় এবং পরবর্তীতে প্রথমে ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের খায়ের পিন্টু পরিষদের সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়, এতেও বাবলু ভাই ও আমি অন্যতম ভূমিকা পালন করি। আজ পিন্টু নেই, সে বাবলু ভাইয়ের মতোই আমার আপন সহোদর আরেক ভাই এবং এই দলের সবচেয়ে নিবেদিত প্রাণ নেতা ও কর্মী, যেমনটি ছিলাম একদিন আমরাও। যাই হোক পিন্টুকে কেউ বড় করলে, বড় বললে আমি গর্ব বোধ করি। কিন্তু না জেনে মিথ্যাচার এবং অতিরঞ্জিত করে কিছু বলাটা কতটা যুক্তিযুক্ত ? এতে শুধুই ইতিহাসের বিকৃতি, এক ভূল তথ্যর মিথ্যার বেসারতী বই, তাকে বড় বানাতে গিয়ে সে যাদেরকে কেন্দ্র করে একদিন নেতা ও রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা পেলো তাদের নিয়ে টানা হেচরা না করাটাই ন্যায় ও যুক্তিসংগত হবে। না জেনে, না দেখে ঘটনার পরমপরা না বুঝে ভূল তথ্য উপস্তাপন কখনোই যুক্তিগ্রাহ্য নয়।ফেইস বুক থেকে

সিলেটের আলাপ ডট কম/আ/আ 

 

জোট নিয়ে জামায়াতের ‘নো টেনশন’!

PDFPrintE-mail

বাংলাদেশ সংবাদ - Political news

Wednesday, 24 June 2015 18:50

জোট নিয়ে জামায়াতের ‘নো টেনশন’!

 
 

Page 1 of 572

Historic words of 2011

Facebook like Icon